"চ্যাপা শুঁটকি ভর্তা
উপকরণ : চ্যাপা শুঁটকি আধা কাপ, কাঁচামরিচ ১০টি, তেজপাতা ১টি, সরিষার তেল ৩ টেবিল চামচ, লবণ ১ চা চামচ, পেঁয়াজ কুচি ২ কাপ, শুকনো মরিচ গুঁড়া ২ টেবিল চামচ, চিনি আধা চা চামচ, লেবুর রস ১ চা চামচ, আদা বাটা আধা চা চামচ, রসুন বাটা ১ চা চামচ, ধনে গুঁড়া ১ চা চামচ।
যেভাবে তৈরি করবেন
১. শুঁটকি ভালো করে ধুয়ে সেদ্ধ করে বেটে নিন।
২. তেল গরম করে আদা-রসুন দিয়ে ভালো করে কষিয়ে শুঁটকি দিয়ে আবার কষান।
৩. হলুদ, ধনিয়া, সরিষা গুঁড়ো, তেজপাতা ও লবণ দিয়ে মাঝারি আঁচে আট-দশ মিনিট কষিয়ে নিন।
৪. পেঁয়াজ দিয়ে নরম হয়ে এলে চিনি, লেবুর রস ও কাঁচা মরিচ দিয়ে পাঁচ মিনিট পরে নামিয়ে পরিবেশন করুন।
লইট্যা শুঁটকি
দোপেঁয়াজু
উপকরণ : শুঁটকি আধা কাপ, পেঁয়াজ ২ কাপ, রসুন বাটা ১ টেবিল চামচ, মরিচ গুঁড়া ১ টেবিল চামচ, লবণ ১ চা চামচ, কাঁচা মরিচ ৫টি, জিরা বাটা ১ চা চামচ।
যেভাবে তৈরি করবেন
১. লইট্যা শুঁটকি কেটে তাওয়ায় টেলে নিন।
২. গরম পানিতে পরিষ্কার করে ধুয়ে পাটায় ছেঁচে নিন।
৩. কড়াইয়ে তেলে গরম করে পেঁয়াজ হালকা বাদামি করে ভাজুন।
৪. এবার শুঁটকিসহ সব মসলা দিয়ে খুব ভালো করে কষিয়ে নামিয়ে ফেলুন।
চিংড়ি শুঁটকি ভর্তা
উপকরণ : চিংড়ি শুঁটকি ১ কাপ, শুকনো মরিচ ১০টি, বড় রসুন ১টি, বড় পেঁয়াজ ২টি, লবণ আধা চা চামচ।
যেভাবে তৈরি করবেন
১. শুঁটকি তাওয়ায় টেলে নিন।
২. টালার পরে গরম পানি দিয়ে শুঁটকি ভালো করে ধুয়ে নিন।
৩. এবার সব কিছু একসঙ্গে বেটে পরিবেশন করুন চিংড়ি শুঁটকি ভর্তা।
- Sent using Google Toolbar"
everything what u want to know?genarel knowladge,recipe,style everything.everyday update ur self......................
মঙ্গলবার, ২৭ জুলাই, ২০১০
বহু রঙে রাঙানো বাড়ি
"লিলি ইসলামের দরজার বাইরে নকশা কাটা কালো পালতোলা বড় বজরা। পাশের সোনালি দেয়ালের পটভূমিতে সোনালি কাজ করা গোল আয়না বসানো।
দরজা খুলতেই ঘরের প্রশস্ততা প্রশান্তি এনে দেয়। প্রতি কোণে ছড়িয়ে আছে যত্নের ছাপ। বসার ঘরের দুটি জানালায় তিন স্তর পর্দার একদম উপরে দেওয়া হয়েছে অফহোয়াইট জামদানি শাড়ি। চার ডিজাইনের চারটি সোফাসেট বসার ঘরজুড়ে সাজানো। ড্রইং রুমের এক প্রান্তে কালো মার্বেল পাথরের ঘরজোড়া ডায়াস। অ্যান্টিক ডিজাইনের এক জোড়া চেয়ার, পিতলের ডিজাইন করা কাঠের চৌকি, তার ওপর পিতলের আলবোলা। একটু পেছনে দেয়াল ঘেঁষে কুকুর-মাথাওয়ালা কলের গান ডায়াসটিকে দিয়েছে নবাবী আভিজাত্য। এর বিপরীত দেয়াল যেন একটুকরো বাংলার গ্রাম। ডায়াসের এক কোণের রট আয়রনের ফুলদানিতে বিভিন্ন রঙের কৃত্রিম ফুল সাজানো। সোফার কুশন কভারগুলো শীতল পাটি দিয়ে তৈরি। দেয়ালগুলোতে শোভা পাচ্ছে নিসার হুসেন, হাশেম খান, কনক চাঁপা, শিশির ভট্টাচার্যের চিত্রকর্ম। বসার ঘরটাকে বিশিষ্টতা দিয়েছে এর ছাদজোড়া কাঠের লাইটিং প্যানেল। এক বসারঘরেই ব্যবহার করা হয়েছে চারটি রঙ। ছাদে উজ্জ্বল হলুদ, আর তিন দিকে কমলা, বাঙ্গি, অফহোয়াইট দেয়াল। এক পাশ দিয়ে উপরতলায় যাওয়ার সিঁড়ি। সিঁড়ির ধাপগুলো সাজানো হয়েছে গাছ, মোম, গাছের গুঁড়িতে তৈরি মানুষের মুখ, ব্রোঞ্জের বুদ্ধমূর্তি এবং সবার উপরে কাঠে খোদাই করা রবীন্দ্রনাথের মুখাবয়ব ভাস্কর্য। সিঁড়ির ছাদ থেকে ঝুলছে বড় আকারের শ্যান্ডলার। শ্যান্ডলারে চোখ বেয়ে উপরে তাকালে থমকে দাঁড়াতে হয়। ছাদ নয়, হেমন্তের পেঁজা তুলো ছড়ানো ঝকঝকে নীল আকাশের পটভূমিতে একটি কৃষ্ণচূড়ার ডাল চোখে পড়বে। পুরোটাই চিত্রকর্ম। সিঁড়ির নিচের ঘরটা সাজানো হয়েছে বিচিত্র সব জিনিসে। মাটির গামলায় মোম, পিতলের গোল ট্রেতে কাচের মার্বেল, আলপনা করা কাঠের পিঁড়ি, ফুল আঁকানো হারিকেন, পুতুল, হাঁস, ঘণ্টা, কচ্ছপ, টিয়া, একতারা, দোতারা_কী নেই সেখানে! পুরো অন্দরমহলে ব্যবহার করা হয়েছে কয়েক রকম উজ্জ্বল রঙ এবং দৃষ্টিনন্দন ওয়াল পেপার।
দরজা খুলতেই ঘরের প্রশস্ততা প্রশান্তি এনে দেয়। প্রতি কোণে ছড়িয়ে আছে যত্নের ছাপ। বসার ঘরের দুটি জানালায় তিন স্তর পর্দার একদম উপরে দেওয়া হয়েছে অফহোয়াইট জামদানি শাড়ি। চার ডিজাইনের চারটি সোফাসেট বসার ঘরজুড়ে সাজানো। ড্রইং রুমের এক প্রান্তে কালো মার্বেল পাথরের ঘরজোড়া ডায়াস। অ্যান্টিক ডিজাইনের এক জোড়া চেয়ার, পিতলের ডিজাইন করা কাঠের চৌকি, তার ওপর পিতলের আলবোলা। একটু পেছনে দেয়াল ঘেঁষে কুকুর-মাথাওয়ালা কলের গান ডায়াসটিকে দিয়েছে নবাবী আভিজাত্য। এর বিপরীত দেয়াল যেন একটুকরো বাংলার গ্রাম। ডায়াসের এক কোণের রট আয়রনের ফুলদানিতে বিভিন্ন রঙের কৃত্রিম ফুল সাজানো। সোফার কুশন কভারগুলো শীতল পাটি দিয়ে তৈরি। দেয়ালগুলোতে শোভা পাচ্ছে নিসার হুসেন, হাশেম খান, কনক চাঁপা, শিশির ভট্টাচার্যের চিত্রকর্ম। বসার ঘরটাকে বিশিষ্টতা দিয়েছে এর ছাদজোড়া কাঠের লাইটিং প্যানেল। এক বসারঘরেই ব্যবহার করা হয়েছে চারটি রঙ। ছাদে উজ্জ্বল হলুদ, আর তিন দিকে কমলা, বাঙ্গি, অফহোয়াইট দেয়াল। এক পাশ দিয়ে উপরতলায় যাওয়ার সিঁড়ি। সিঁড়ির ধাপগুলো সাজানো হয়েছে গাছ, মোম, গাছের গুঁড়িতে তৈরি মানুষের মুখ, ব্রোঞ্জের বুদ্ধমূর্তি এবং সবার উপরে কাঠে খোদাই করা রবীন্দ্রনাথের মুখাবয়ব ভাস্কর্য। সিঁড়ির ছাদ থেকে ঝুলছে বড় আকারের শ্যান্ডলার। শ্যান্ডলারে চোখ বেয়ে উপরে তাকালে থমকে দাঁড়াতে হয়। ছাদ নয়, হেমন্তের পেঁজা তুলো ছড়ানো ঝকঝকে নীল আকাশের পটভূমিতে একটি কৃষ্ণচূড়ার ডাল চোখে পড়বে। পুরোটাই চিত্রকর্ম। সিঁড়ির নিচের ঘরটা সাজানো হয়েছে বিচিত্র সব জিনিসে। মাটির গামলায় মোম, পিতলের গোল ট্রেতে কাচের মার্বেল, আলপনা করা কাঠের পিঁড়ি, ফুল আঁকানো হারিকেন, পুতুল, হাঁস, ঘণ্টা, কচ্ছপ, টিয়া, একতারা, দোতারা_কী নেই সেখানে! পুরো অন্দরমহলে ব্যবহার করা হয়েছে কয়েক রকম উজ্জ্বল রঙ এবং দৃষ্টিনন্দন ওয়াল পেপার।
পোলাও চালের পায়েস
"উপকরণ : পোলাও চাল ৩ কাপ, তরল দুধ আধা লিটার, চিনি ২ কাপ, ঘি ৪ টেবিল চামচ, কাজু বাদাম, পেস্তা বাদাম ও কিশমিশ ১ কাপ, রুহ্ আফজা সিরাপ ২ টেবিল চামচ।
যেভাবে তৈরি করবেন
১. প্রথমে চাল ধুয়ে কিছুক্ষণ পানি ঝরিয়ে নিন।
২. পাতিলে ঘি গরম করে চাল দিয়ে ৫ মিনিট নাড়ুন।
৩. এরপর দুধ এবং চিনি দিয়ে নেড়ে ঢাকনা দিয়ে চুলার জ্বাল বাড়িয়ে দিন।
৪. দুধ ফুটে উঠলে জ্বাল কমিয়ে ১০ মিনিট রাখুন।
৫. এরপর নামিয়ে পাত্রে ঢেলে ওপরে কাজু বাদাম, পেস্তা বাদাম ও কিশমিশ চারদিকে ছড়িয়ে দিন।
৬. রুহ্ আফজা ছিটিয়ে দিয়ে পরিবেশন করুন মজাদার পায়েস।
যেভাবে তৈরি করবেন
১. প্রথমে চাল ধুয়ে কিছুক্ষণ পানি ঝরিয়ে নিন।
২. পাতিলে ঘি গরম করে চাল দিয়ে ৫ মিনিট নাড়ুন।
৩. এরপর দুধ এবং চিনি দিয়ে নেড়ে ঢাকনা দিয়ে চুলার জ্বাল বাড়িয়ে দিন।
৪. দুধ ফুটে উঠলে জ্বাল কমিয়ে ১০ মিনিট রাখুন।
৫. এরপর নামিয়ে পাত্রে ঢেলে ওপরে কাজু বাদাম, পেস্তা বাদাম ও কিশমিশ চারদিকে ছড়িয়ে দিন।
৬. রুহ্ আফজা ছিটিয়ে দিয়ে পরিবেশন করুন মজাদার পায়েস।
সোমবার, ২৬ জুলাই, ২০১০
দুর্গন্ধ হবে না ঘরে
দুর্গন্ধ হবে না ঘরে: "হাজারো ব্যস্ততার ভিড়েও প্রযুক্তির বদৌলতে আমাদের কাজ হয়ে যাচ্ছে সহজতর। খাবার রান্না থেকে পরিবেশন করার জন্য রয়েছে অত্যাধুনিক জিনিসপত্র; রেফ্রিজারেটর, ওভেন, রাইস কুকার, ব্লেন্ডার ইত্যাদি। যা আমাদের জীবনযাত্রাকে সহজ করে তুলেছে। এসব ব্যবহারে অজ্ঞতার কারণে অনেক সময় খাবার দুর্গন্ধ হয়ে যায় এবং এসব জিনিস থেকে দুর্গন্ধ বের হয়ে অস্বস্তিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে। এমনকি রান্নাঘর থেকেও মাঝেমধ্যে দুর্গন্ধ বের হয়। রান্নাঘরসহ এসব নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রে দুর্গন্ধ হওয়ার কারণ এবং এ থেকে পরিত্রাণের উপায় সম্পর্কে বলছিলেন গার্হস্থ্য অর্থনীতি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ ফিরোজা সুলতানা।
জেনে নিন
১. রেফ্রিজারেটরে বাটা মসলা ভালোমতো না ঢেকে রাখলে ভেতরে গন্ধ হয়ে যেতে পারে।
২. যেকোনো খাবার রেফ্রিজারেটরে রাখলে প্লাস্টিকের বাটিতে ঢাকনা দিয়ে রাখতে হবে।
৩. রেফ্রিজারেটর অবশ্যই নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় রেখে দিতে হবে, যাতে খাবার নষ্ট কিংবা গন্ধ হয়ে না যায়।
৪. তরিতরকারি, সবজি এসব অনেক দিন সবজির বাক্সে রাখলে গন্ধ হয়ে যায়। তাই এক দিনের বেশি কোনো খাবার রেফ্রিজারেটরে রাখা যাবে না।
৫. রেফ্রিজারেটরে রাখা খাবার দ্রুত নষ্ট হয়ে যেতে পারে, যদি প্রয়োজনের চেয়ে বেশিবার দরজা খোলা কিংবা বন্ধ করা হয়।
৬. ওভেনে খাবার গরম করার সময় অবশ্যই ঢাকনাসহ বাটি ব্যবহার করতে হবে।
৭. খাবার গরম করার পর কিছুক্ষণ ওভেনের দরজা খুলে বাতাস ঢুকতে দিতে হবে।
৮. ওভেনের ভেতরে যদি গন্ধ হয়ে যায়, মাঝেমধ্যে তরল ডিটারজেন্ট, ভিমবার, কিংবা সাবান মেখে পরিষ্কার কাপড় বা ছোট ডাস্টার দিয়ে সাফ করতে হবে।
৯. রান্নাঘর গন্ধ হওয়ার কারণ প্রথমে বের করতে হবে। সমস্যা বুঝে এর সমাধান করতে হবে। অনেক সময় রান্নাঘরে পোকামাকড় মরে থাকে। মাছের আঁশের গন্ধ, তরিতরকারির ময়লা ঠিকমতো পরিষ্কার না করা—এসব কারণে রান্নাঘর থেকে দুর্গন্ধ আসতে পারে।
১০. রান্নাঘরে তরিতরকারি কিংবা খাবারের ময়লা নির্দিষ্ট ঝুড়িতে রাখতে হবে। প্রতিদিন ময়লার ঝুড়ি পরিষ্কার করতে হবে।
১১. রান্নাঘরের যে সিংক রয়েছে তাতে এঁটো থালাবাসন খাবারের পর ধুয়ে ফেলতে হবে। মাছ, মাংস কাটার পর সাবান দিয়ে সিংক পরিষ্কার করে রাখতে হবে।
১২. তরিতরকারি, মাছ, মাংস, ফলমূলের খোসা—এসব কাটার পর ময়লা রান্নাঘরের মেঝেতে ফেলে রাখলে পচে গন্ধ বের হতে পারে। সে জন্য ময়লার ঝুড়িতে ফেলতে হবে।
১৩. রান্নার পরপর অবশ্যই চুলার ওপর, চুলার আশপাশ সাবান বা ডিটারজেন্ট পাউডার দিয়ে পরিষ্কার করতে হবে।
১৪. রান্নাঘর টাইলস, মোজাইক, সিমেন্ট যেটারই তৈরি হোক না কেন, কয়েক দিন পরপর সাবান বা ডিটারজেন্ট দিয়ে ধুয়ে পরিষ্কার রাখতে হবে।
১৫. ওভেনে খাবার গরম করার পর শুকনো পরিষ্কার নরম কাপড় দিয়ে মুছে ফেলতে হবে।
১৬. ওভেনের ভেতরে যে গ্রিল রয়েছে সেগুলো মাঝেমধ্যে বের করে শুকনো নরম পরিষ্কার কাপড়, ছোট তোয়ালে বা নরম ডাস্টার দিয়ে পরিষ্কার করে মুছে রাখতে হবে।
১৭. রাইস কুকারে পোলাও, খিচুড়ি—এসব রান্নার পর তেলচিটচিটে হয়ে থাকে। ফলে গন্ধ হয়ে যেতে পারে। এ জন্য মাঝেমধ্যেই সাবান, পানি কিংবা ডিটারজেন্ট পাউডার দিয়ে পরিষ্কার করতে হবে। ভাত রান্না করার পরপরই ধুয়ে ফেলতে হবে রাইস কুকার।
১৮. শরবত করার জন্য যেসব জুসার, ব্লেন্ডার ব্যবহার করা হয়, সেগুলো ব্যবহারের পরপরই সাবান দিয়ে ধুয়ে পরিষ্কার করে বাতাসে শুকিয়ে রাখতে হবে। না হলে মরিচা পড়ে নষ্ট হয়ে যেতে পারে।
যা করতে হবে
১. রেফ্রিজারেটরের গন্ধ দূর করার জন্য লেবু গোল করে বা পাতলা করে কেটে রেখে দেওয়া যেতে পারে।
২. মাসে অন্তত একবার রেফ্রিজারেটর পরিষ্কার করতে হবে।
৩. রান্নাঘর বদ্ধ অবস্থায় রাখলে গন্ধ আসতে পারে। মসলা, থালাবাসন থেকে এবং পানি পড়ে সেটা জমে দুর্গন্ধ হয়ে যায়। এ জন্য রান্নাঘরের জানালা-দরজা খুলে বাতাস যাওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে।
- Sent using Google Toolbar"
জেনে নিন
১. রেফ্রিজারেটরে বাটা মসলা ভালোমতো না ঢেকে রাখলে ভেতরে গন্ধ হয়ে যেতে পারে।
২. যেকোনো খাবার রেফ্রিজারেটরে রাখলে প্লাস্টিকের বাটিতে ঢাকনা দিয়ে রাখতে হবে।
৩. রেফ্রিজারেটর অবশ্যই নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় রেখে দিতে হবে, যাতে খাবার নষ্ট কিংবা গন্ধ হয়ে না যায়।
৪. তরিতরকারি, সবজি এসব অনেক দিন সবজির বাক্সে রাখলে গন্ধ হয়ে যায়। তাই এক দিনের বেশি কোনো খাবার রেফ্রিজারেটরে রাখা যাবে না।
৫. রেফ্রিজারেটরে রাখা খাবার দ্রুত নষ্ট হয়ে যেতে পারে, যদি প্রয়োজনের চেয়ে বেশিবার দরজা খোলা কিংবা বন্ধ করা হয়।
৬. ওভেনে খাবার গরম করার সময় অবশ্যই ঢাকনাসহ বাটি ব্যবহার করতে হবে।
৭. খাবার গরম করার পর কিছুক্ষণ ওভেনের দরজা খুলে বাতাস ঢুকতে দিতে হবে।
৮. ওভেনের ভেতরে যদি গন্ধ হয়ে যায়, মাঝেমধ্যে তরল ডিটারজেন্ট, ভিমবার, কিংবা সাবান মেখে পরিষ্কার কাপড় বা ছোট ডাস্টার দিয়ে সাফ করতে হবে।
৯. রান্নাঘর গন্ধ হওয়ার কারণ প্রথমে বের করতে হবে। সমস্যা বুঝে এর সমাধান করতে হবে। অনেক সময় রান্নাঘরে পোকামাকড় মরে থাকে। মাছের আঁশের গন্ধ, তরিতরকারির ময়লা ঠিকমতো পরিষ্কার না করা—এসব কারণে রান্নাঘর থেকে দুর্গন্ধ আসতে পারে।
১০. রান্নাঘরে তরিতরকারি কিংবা খাবারের ময়লা নির্দিষ্ট ঝুড়িতে রাখতে হবে। প্রতিদিন ময়লার ঝুড়ি পরিষ্কার করতে হবে।
১১. রান্নাঘরের যে সিংক রয়েছে তাতে এঁটো থালাবাসন খাবারের পর ধুয়ে ফেলতে হবে। মাছ, মাংস কাটার পর সাবান দিয়ে সিংক পরিষ্কার করে রাখতে হবে।
১২. তরিতরকারি, মাছ, মাংস, ফলমূলের খোসা—এসব কাটার পর ময়লা রান্নাঘরের মেঝেতে ফেলে রাখলে পচে গন্ধ বের হতে পারে। সে জন্য ময়লার ঝুড়িতে ফেলতে হবে।
১৩. রান্নার পরপর অবশ্যই চুলার ওপর, চুলার আশপাশ সাবান বা ডিটারজেন্ট পাউডার দিয়ে পরিষ্কার করতে হবে।
১৪. রান্নাঘর টাইলস, মোজাইক, সিমেন্ট যেটারই তৈরি হোক না কেন, কয়েক দিন পরপর সাবান বা ডিটারজেন্ট দিয়ে ধুয়ে পরিষ্কার রাখতে হবে।
১৫. ওভেনে খাবার গরম করার পর শুকনো পরিষ্কার নরম কাপড় দিয়ে মুছে ফেলতে হবে।
১৬. ওভেনের ভেতরে যে গ্রিল রয়েছে সেগুলো মাঝেমধ্যে বের করে শুকনো নরম পরিষ্কার কাপড়, ছোট তোয়ালে বা নরম ডাস্টার দিয়ে পরিষ্কার করে মুছে রাখতে হবে।
১৭. রাইস কুকারে পোলাও, খিচুড়ি—এসব রান্নার পর তেলচিটচিটে হয়ে থাকে। ফলে গন্ধ হয়ে যেতে পারে। এ জন্য মাঝেমধ্যেই সাবান, পানি কিংবা ডিটারজেন্ট পাউডার দিয়ে পরিষ্কার করতে হবে। ভাত রান্না করার পরপরই ধুয়ে ফেলতে হবে রাইস কুকার।
১৮. শরবত করার জন্য যেসব জুসার, ব্লেন্ডার ব্যবহার করা হয়, সেগুলো ব্যবহারের পরপরই সাবান দিয়ে ধুয়ে পরিষ্কার করে বাতাসে শুকিয়ে রাখতে হবে। না হলে মরিচা পড়ে নষ্ট হয়ে যেতে পারে।
যা করতে হবে
১. রেফ্রিজারেটরের গন্ধ দূর করার জন্য লেবু গোল করে বা পাতলা করে কেটে রেখে দেওয়া যেতে পারে।
২. মাসে অন্তত একবার রেফ্রিজারেটর পরিষ্কার করতে হবে।
৩. রান্নাঘর বদ্ধ অবস্থায় রাখলে গন্ধ আসতে পারে। মসলা, থালাবাসন থেকে এবং পানি পড়ে সেটা জমে দুর্গন্ধ হয়ে যায়। এ জন্য রান্নাঘরের জানালা-দরজা খুলে বাতাস যাওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে।
- Sent using Google Toolbar"
বাড়ি তৈরিতে ঋণ
"নিজের পরিবারের ভবিষ্যৎ গড়ার জন্য ছোট্ট একটি প্লট কেনার স্বপ্ন থাকে অনেকের। আর ওই প্লট কিনে তাতে সুন্দর ও মনের মতো করে বাড়ি তৈরির ইচ্ছাও থাকে। আপনার এ স্বপ্ন বাস্তবায়নে সহায়তাদানে এগিয়ে এসেছে সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো।
জেনে নিন
বাংলাদেশের সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো গৃহঋণ দিয়ে থাকে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক সরাসরি গৃহঋণ দেয় না। তবে বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ প্রতিষ্ঠানগুলোর মাধ্যমে এই ঋণ দিয়ে থাকে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে সম্প্রতি এ খাতে গ্রাহকদের এক কোটি টাকা পর্যন্ত ঋণ দেওয়ার আদেশ জারি করে বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃপক্ষ।
বাংলাদেশ হাউস বিল্ডিং ফাইন্যান্স করপোরেশন
বাংলাদেশের যেকোনো সুস্থ নাগরিক, যাঁর নির্দিষ্ট আয় আছে, তিনি গৃহঋণ পেতে পারেন। রাজউক অনুমোদিত নকশার ওপর ভিত্তি করে প্রকৌশলী যে আনুমানিক হিসাব দেবেন, তার ৮০ শতাংশ ঋণ দেওয়া হয়। ঢাকা-চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন এলাকায় ঋণের পরিমাণ সর্বোচ্চ ৪০ লাখ টাকা। এর বাইরে অন্যান্য এলাকায় ১৫ লাখ টাকা ঋণ দেওয়া হয়। তবে সম্প্রতি ঢাকা-চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন এলাকার জন্য এই ঋণের পরিমাণ ৫০ লাখ টাকা অনুমোদন দেওয়া হবে বলে জানায় ওই প্রতিষ্ঠানের কর্তৃপক্ষ। সে ক্ষেত্রে ঢাকা-চট্টগ্রামে সুদের হার ১২ শতাংশ। এ ছাড়া অন্যান্য এলাকার সুদের হার ১০ শতাংশ এবং ঋণ পরিশোধের মেয়াদ ১৫ বছর। প্রতি মাসের কিস্তিতে সরল সুদে এই টাকা পরিশোধ করতে হয়।
ডিবিএইচ
ঋণের কোনো নির্দিষ্ট পরিমাণ নেই। সম্পত্তির পরিমাণ, ঋণ পরিশোধের সামর্থ্যের ওপর ভিত্তি করে ঋণ দেওয়া হয়। সে ক্ষেত্রে ঋণ পরিশোধ করতে হবে ২০ বছরের মধ্যে। সুদের হার নয় থেকে ১৬ শতাংশ।
আইডিএলসি
গ্রাহকের সম্পদের পরিমাণের ৭০ শতাংশ পর্যন্ত গৃহঋণ দিয়ে থাকে এই প্রতিষ্ঠান। সুদের হার ১৩ থেকে ১৪ শতাংশ। পরিশোধের সময়কাল ২০ বছর। প্রবাসীদেরও এ ঋণের সুবিধা দেওয়া হয়। এ ছাড়া চাকরিজীবী, ব্যবসায়ীদের আয় ন্যূনতম ২০ হাজার টাকা হলে, তিনি এ প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণ পাওয়ার যোগ্য বলে বিবেচিত হন।
ডাচ্-বাংলা ব্যাংক
সাধারণত যাঁদের আয় ৪০ থেকে ৫০ হাজার টাকা, তাদের এই ব্যাংক থেকে ঋণ দেওয়া হয়। ঋণের পরিমাণ দুই থেকে ৭৫ লাখ টাকা। সুদের হার ১৩ শতাংশ। ঋণ পরিশোধের সময় ১৫ বছর। বাড়ি নির্মাণ খরচের ৭০ শতাংশ ঋণ দেওয়া হয়। সে ক্ষেত্রে ঋণগ্রহীতার বয়স ২৫ থেকে ৬৫ বছর হতে হবে। প্রসেসিং ফি ঋণের পরিমাণের শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ।
প্রাইম ব্যাংক
সম্পত্তির মূল্যের ওপর ৭০ শতাংশ ঋণ দেওয়া হয়। ঋণের পরিমাণ পাঁচ থেকে ৭৫ লাখ টাকা। সুদের হার ১৩ শতাংশ। ঋণ পরিশোধের সময়সীমা ১০ বছর। ভ্যাটসহ সার্ভিসচার্জ রয়েছে।
ইস্টার্ন ব্যাংক
ঋণের পরিমাণ পাঁচ থেকে ৭৫ লাখ টাকা। ঋণগ্রহীতার মাসিক গড় আয়ের ৫০ গুণ পরিমাণ ঋণ দেওয়া হয়। ঋণ পরিশোধের সময়সীমা তিন থেকে ২০ বছর। ঋণগ্রহীতাকে বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে এবং তার বয়সসীমা ২২ থেকে ৫৭ বছর। ঋণের পরিমাণ পাঁচ থেকে ১৫ লাখ টাকা হলে সুদের পরিমাণ ১৪ থেকে ১৫ শতাংশ। ঋণগ্রহীতার সম্পত্তির পরিমাণের ৮০ শতাংশ ঋণ দেওয়া হয়।
ঢাকা ব্যাংক
চাকরিজীবী, পেশাজীবী, ব্যবসায়ী, যাঁদের আয় ন্যূনতম ৪০ হাজার টাকা, তারা ঋণ পাওয়ার যোগ্য। সম্পত্তির মূল্যের ৭০ শতাংশ পর্যন্ত ঋণ দেওয়া হয়। পাঁচ থেকে ১৫ বছরের মধ্যে ঋণ পরিশোধ করতে হয়। ঋণের পরিমাণ পাঁচ থেকে ৭৫ লাখ টাকা। সুদের হার ১২ থেকে ১৩ শতাংশ। প্রসেসিং ফি ১ দশমিক ২৫ থেকে ১ দশমিক ৫ শতাংশ ।
এইচএসবিসি ব্যাংক
ঋণগ্রহীতার রেজিস্ট্রেশন খরচসহ সম্পত্তির ক্রয়মূল্যের সর্বোচ্চ ৮০ শতাংশ গৃহঋণ দেওয়া হয়। ঋণের পরিমাণ সাত লাখ ৫০ হাজার থেকে ৭৫ লাখ টাকা। ঋণ পরিশোধের সময়সীমা পাঁচ থেকে ২০ বছর। সুদের হার ৯ শতাংশ। ঋণগ্রহীতা চাকরিজীবী হলে তাঁর ন্যূনতম আয় ৪০ হাজার এবং নিজস্ব প্রতিষ্ঠান আছে, এমন কেউ বা ব্যবসায়ী হলে তাঁর আয় ৫০ হাজার টাকা হতে হবে। এ ব্যাংকে চলছে ‘বৈশাখী অফার’। এই বছরের এপ্রিল থেকে অক্টোবর পর্যন্ত চলবে এ অফার। এতে সুদের হার ৯ দশমিক ৯৯ শতাংশ।
স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক
এ ব্যাংক থেকে ঋণ পেতে হলে ঋণগ্রহীতাকে চাকরিজীবী, পেশাজীবী বা ব্যবসায়ী হতে হবে এবং তাঁদের মাসিক আয় হতে হবে ন্যূনতম ২৫ হাজার টাকা। ন্যূনতম বয়স ২৫ বছর। ঋণগ্রহীতার সম্পত্তির পরিমাণের ৮০ শতাংশ ঋণ দেওয়া হয়। মোট ঋণের পরিমাণ ৭৫ লাখ টাকা। সুদের হার ১২ দশমিক পাঁচ শতাংশ থেকে ১৪ দশমিক ২৫ শতাংশ। প্রসেসিং ফি ঋণের পরিমাণের ১ দশমিক ৫ শতাংশ এবং সঙ্গে ১৫ শতাংশ ভ্যাট প্রযোজ্য। ঋণ পরিশোধের সময় ২০ বছর।
- Sent using Google Toolbar"
জেনে নিন
বাংলাদেশের সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো গৃহঋণ দিয়ে থাকে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক সরাসরি গৃহঋণ দেয় না। তবে বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ প্রতিষ্ঠানগুলোর মাধ্যমে এই ঋণ দিয়ে থাকে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে সম্প্রতি এ খাতে গ্রাহকদের এক কোটি টাকা পর্যন্ত ঋণ দেওয়ার আদেশ জারি করে বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃপক্ষ।
বাংলাদেশ হাউস বিল্ডিং ফাইন্যান্স করপোরেশন
বাংলাদেশের যেকোনো সুস্থ নাগরিক, যাঁর নির্দিষ্ট আয় আছে, তিনি গৃহঋণ পেতে পারেন। রাজউক অনুমোদিত নকশার ওপর ভিত্তি করে প্রকৌশলী যে আনুমানিক হিসাব দেবেন, তার ৮০ শতাংশ ঋণ দেওয়া হয়। ঢাকা-চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন এলাকায় ঋণের পরিমাণ সর্বোচ্চ ৪০ লাখ টাকা। এর বাইরে অন্যান্য এলাকায় ১৫ লাখ টাকা ঋণ দেওয়া হয়। তবে সম্প্রতি ঢাকা-চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন এলাকার জন্য এই ঋণের পরিমাণ ৫০ লাখ টাকা অনুমোদন দেওয়া হবে বলে জানায় ওই প্রতিষ্ঠানের কর্তৃপক্ষ। সে ক্ষেত্রে ঢাকা-চট্টগ্রামে সুদের হার ১২ শতাংশ। এ ছাড়া অন্যান্য এলাকার সুদের হার ১০ শতাংশ এবং ঋণ পরিশোধের মেয়াদ ১৫ বছর। প্রতি মাসের কিস্তিতে সরল সুদে এই টাকা পরিশোধ করতে হয়।
ডিবিএইচ
ঋণের কোনো নির্দিষ্ট পরিমাণ নেই। সম্পত্তির পরিমাণ, ঋণ পরিশোধের সামর্থ্যের ওপর ভিত্তি করে ঋণ দেওয়া হয়। সে ক্ষেত্রে ঋণ পরিশোধ করতে হবে ২০ বছরের মধ্যে। সুদের হার নয় থেকে ১৬ শতাংশ।
আইডিএলসি
গ্রাহকের সম্পদের পরিমাণের ৭০ শতাংশ পর্যন্ত গৃহঋণ দিয়ে থাকে এই প্রতিষ্ঠান। সুদের হার ১৩ থেকে ১৪ শতাংশ। পরিশোধের সময়কাল ২০ বছর। প্রবাসীদেরও এ ঋণের সুবিধা দেওয়া হয়। এ ছাড়া চাকরিজীবী, ব্যবসায়ীদের আয় ন্যূনতম ২০ হাজার টাকা হলে, তিনি এ প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণ পাওয়ার যোগ্য বলে বিবেচিত হন।
ডাচ্-বাংলা ব্যাংক
সাধারণত যাঁদের আয় ৪০ থেকে ৫০ হাজার টাকা, তাদের এই ব্যাংক থেকে ঋণ দেওয়া হয়। ঋণের পরিমাণ দুই থেকে ৭৫ লাখ টাকা। সুদের হার ১৩ শতাংশ। ঋণ পরিশোধের সময় ১৫ বছর। বাড়ি নির্মাণ খরচের ৭০ শতাংশ ঋণ দেওয়া হয়। সে ক্ষেত্রে ঋণগ্রহীতার বয়স ২৫ থেকে ৬৫ বছর হতে হবে। প্রসেসিং ফি ঋণের পরিমাণের শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ।
প্রাইম ব্যাংক
সম্পত্তির মূল্যের ওপর ৭০ শতাংশ ঋণ দেওয়া হয়। ঋণের পরিমাণ পাঁচ থেকে ৭৫ লাখ টাকা। সুদের হার ১৩ শতাংশ। ঋণ পরিশোধের সময়সীমা ১০ বছর। ভ্যাটসহ সার্ভিসচার্জ রয়েছে।
ইস্টার্ন ব্যাংক
ঋণের পরিমাণ পাঁচ থেকে ৭৫ লাখ টাকা। ঋণগ্রহীতার মাসিক গড় আয়ের ৫০ গুণ পরিমাণ ঋণ দেওয়া হয়। ঋণ পরিশোধের সময়সীমা তিন থেকে ২০ বছর। ঋণগ্রহীতাকে বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে এবং তার বয়সসীমা ২২ থেকে ৫৭ বছর। ঋণের পরিমাণ পাঁচ থেকে ১৫ লাখ টাকা হলে সুদের পরিমাণ ১৪ থেকে ১৫ শতাংশ। ঋণগ্রহীতার সম্পত্তির পরিমাণের ৮০ শতাংশ ঋণ দেওয়া হয়।
ঢাকা ব্যাংক
চাকরিজীবী, পেশাজীবী, ব্যবসায়ী, যাঁদের আয় ন্যূনতম ৪০ হাজার টাকা, তারা ঋণ পাওয়ার যোগ্য। সম্পত্তির মূল্যের ৭০ শতাংশ পর্যন্ত ঋণ দেওয়া হয়। পাঁচ থেকে ১৫ বছরের মধ্যে ঋণ পরিশোধ করতে হয়। ঋণের পরিমাণ পাঁচ থেকে ৭৫ লাখ টাকা। সুদের হার ১২ থেকে ১৩ শতাংশ। প্রসেসিং ফি ১ দশমিক ২৫ থেকে ১ দশমিক ৫ শতাংশ ।
এইচএসবিসি ব্যাংক
ঋণগ্রহীতার রেজিস্ট্রেশন খরচসহ সম্পত্তির ক্রয়মূল্যের সর্বোচ্চ ৮০ শতাংশ গৃহঋণ দেওয়া হয়। ঋণের পরিমাণ সাত লাখ ৫০ হাজার থেকে ৭৫ লাখ টাকা। ঋণ পরিশোধের সময়সীমা পাঁচ থেকে ২০ বছর। সুদের হার ৯ শতাংশ। ঋণগ্রহীতা চাকরিজীবী হলে তাঁর ন্যূনতম আয় ৪০ হাজার এবং নিজস্ব প্রতিষ্ঠান আছে, এমন কেউ বা ব্যবসায়ী হলে তাঁর আয় ৫০ হাজার টাকা হতে হবে। এ ব্যাংকে চলছে ‘বৈশাখী অফার’। এই বছরের এপ্রিল থেকে অক্টোবর পর্যন্ত চলবে এ অফার। এতে সুদের হার ৯ দশমিক ৯৯ শতাংশ।
স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক
এ ব্যাংক থেকে ঋণ পেতে হলে ঋণগ্রহীতাকে চাকরিজীবী, পেশাজীবী বা ব্যবসায়ী হতে হবে এবং তাঁদের মাসিক আয় হতে হবে ন্যূনতম ২৫ হাজার টাকা। ন্যূনতম বয়স ২৫ বছর। ঋণগ্রহীতার সম্পত্তির পরিমাণের ৮০ শতাংশ ঋণ দেওয়া হয়। মোট ঋণের পরিমাণ ৭৫ লাখ টাকা। সুদের হার ১২ দশমিক পাঁচ শতাংশ থেকে ১৪ দশমিক ২৫ শতাংশ। প্রসেসিং ফি ঋণের পরিমাণের ১ দশমিক ৫ শতাংশ এবং সঙ্গে ১৫ শতাংশ ভ্যাট প্রযোজ্য। ঋণ পরিশোধের সময় ২০ বছর।
- Sent using Google Toolbar"
ভিন্ন স্বাদের মিষ্টান্ন
প্রথম আলো - ভিন্ন স্বাদের মিষ্টান্ন: "হালুয়ার পাশাপাশি একটু ভিন্ন স্বাদের মিষ্টান্ন খেতে পছন্দ করেন অনেকে। দেখে নিন শাহানা পারভীনের দেওয়া মিষ্টান্নের রন্ধনপ্রণালি।
চকলেট পেস্তা বরফি
উপকরণ: বেসন ১ কাপ, গুঁড়ো দুধ ১ কাপ, কোকো পাউডার ২ টেবিল-চামচ, ঘি আধা কাপ, গলানো চকলেট আধা কাপ, পেস্তা কুচি ২ টেবিল-চামচ, চিনি ১ কাপ, ভ্যানিলা এসেন্স ১ থেকে ২ ফোঁটা।
প্রণালি: কড়াইয়ে ঘি দিয়ে তাতে বেসন হালকা করে ভেজে নিতে হবে। কুসুম গরম পানিতে গুঁড়ো দুধ গুলে তাতে কোকো পাউডার দিন। আস্তে আস্তে তা ভাজা বেসনে মিশিয়ে দিন। চিনি দিয়ে অনবরত নাড়তে হবে। ভ্যানিলা এসেন্স দিয়ে মিশ্রণটি ঘন হলে নামিয়ে ট্রেতে ঢালতে হবে। পছন্দমতো আকারে কেটে গলানো চকলেটে ডুবিয়ে পেস্তা কুচির সঙ্গে মেখে পরিবেশন করা যায়।
ত্রিমোহন হালুয়া
উপকরণ: ঘন দুধ ৩ কাপ, ঘি ১ কাপ, চিনি ৩ কাপ, বাদাম কুচি ৩ চা-চামচ, কিশমিশ ১ টেবিল-চামচ, এলাচ গুঁড়ো ১ চা-চামচ, দারুচিনি ৪-৫ টুকরো, সেমাই ৪ টেবিল-চামচ, সুজি ৩ টেবিল-চামচ, কাঁচা পেঁপে কুচি করা ১ কাপ, জাফরান সামান্য, সবুজ রং সামান্য।
প্রণালি: কড়াইয়ে ২ টেবিল-চামচ ঘি দিয়ে পেঁপে একটু ভেজে নিতে হবে। ভাজা হলে তাতে দুধ, চিনি, সবুজ রং, এলাচ গুঁড়ো, দারচিনি, বাদাম কুচি দিয়ে নাড়তে হবে। মিশ্রণটি ঘন হলে নামিয়ে নিতে হবে।
কড়াইয়ে ২ চা-চামচ ঘি দিয়ে সুজি নাড়তে হবে। জাফরান-মিশ্রিত দুধ, চিনি, এলাচ গুঁড়ো দিয়ে অনবরত নাড়তে হবে। কিশমিশ দিয়ে নামিয়ে প্লেটে ঘি লাগিয়ে তাতে হালুয়া ঢেলে সমান করে দিতে হবে।
সেমাই ঘি দিয়ে ভেজে তাতে দুধ, চিনি, এলাচ গুঁড়ো, দারচিনি, বাদাম কুচি দিয়ে নাড়তে হবে। সেমাই হয়ে এলে সুজির স্তরের ওপর সেমাইয়ের স্তর দিয়ে আবার সমান করে দিতে হবে। সবশেষে পেঁপের স্তর দিয়ে সমান করে সাজিয়ে রাখতে হবে ঠান্ডা জায়গায়। পছন্দমতো কেটে পরিবেশন করতে হবে।
নারকেলের মালাই বরফি
উপকরণ: নারকেল বাটা ২ কাপ, সরসহ ঘন দুধ ১ কাপ, সুজি ২ টেবিল-চামচ, ঘি আধা কাপ, চিনি ১ কাপ, এলাচ গুঁড়ো ২টি, বাদাম কুচি ১ চা চামচ, কিশমিশ ১ চা চামচ।
প্রণালি: কড়াইয়ে ঘি দিয়ে সুজি ভেজে নিতে হবে। তারপর নারকেল বাটা দিয়ে আবার কিছুক্ষণ ভাজতে হবে। ভাজা হলে দুধ, চিনি, বাদাম কুচি, কিশমিশ দিয়ে অনবরত নাড়তে হবে। হালুয়া ঘন আঠালো হলে এলাচ গুঁড়ো দিয়ে নামিয়ে প্লেটে ঘি দিয়ে ইচ্ছামতো আকারে কেটে ওপরে বাদাম, কিশমিশ দিয়ে পরিবেশন করা যায়।
ক্রিম পুডিং
উপকরণ: ঘন দুধ ২ কাপ, চিনি ১ কাপ, মুরগির ডিম ৪টি, এলাচ গুঁড়ো ২টি, ক্রিম ২ টেবিল-চামচ।
প্রণালি: ১ লিটার দুধ জ্বাল দিয়ে ঘন করে অর্ধেক করে নিতে হবে। ডিমের সঙ্গে চিনি মিশিয়ে দুধ, ডিম, চিনি, এলাচ গুঁড়ো ও ক্রিম ভালো করে ব্লেন্ড করে নিতে হবে। চিনি দিয়ে ক্যারামেল করা পাত্রে মিশ্রণটি ঢেলে পাত্রের মুখ ঢাকনা দিয়ে ঢেকে ভাপে সেদ্ধ অথবা প্রেসার কুকারে পানি দিয়ে ১৫-২০ মিনিট ভাপে রাখতে হবে। পুডিং নিজে থেকে ঠান্ডা হতে দিতে হবে। ছুরি দিয়ে ছাঁচের চারপাশে ঘুরিয়ে কেটে নিতে হবে। প্লেট ছাঁচের মুখে চেপে ধরে উল্টে দিতে হবে। ফ্রিজে রেখে ঠান্ডা হলে পরিবেশন করা যায় মজাদার ক্রিম পুডিং।
- Sent using Google Toolbar"
চকলেট পেস্তা বরফি
উপকরণ: বেসন ১ কাপ, গুঁড়ো দুধ ১ কাপ, কোকো পাউডার ২ টেবিল-চামচ, ঘি আধা কাপ, গলানো চকলেট আধা কাপ, পেস্তা কুচি ২ টেবিল-চামচ, চিনি ১ কাপ, ভ্যানিলা এসেন্স ১ থেকে ২ ফোঁটা।
প্রণালি: কড়াইয়ে ঘি দিয়ে তাতে বেসন হালকা করে ভেজে নিতে হবে। কুসুম গরম পানিতে গুঁড়ো দুধ গুলে তাতে কোকো পাউডার দিন। আস্তে আস্তে তা ভাজা বেসনে মিশিয়ে দিন। চিনি দিয়ে অনবরত নাড়তে হবে। ভ্যানিলা এসেন্স দিয়ে মিশ্রণটি ঘন হলে নামিয়ে ট্রেতে ঢালতে হবে। পছন্দমতো আকারে কেটে গলানো চকলেটে ডুবিয়ে পেস্তা কুচির সঙ্গে মেখে পরিবেশন করা যায়।
ত্রিমোহন হালুয়া
উপকরণ: ঘন দুধ ৩ কাপ, ঘি ১ কাপ, চিনি ৩ কাপ, বাদাম কুচি ৩ চা-চামচ, কিশমিশ ১ টেবিল-চামচ, এলাচ গুঁড়ো ১ চা-চামচ, দারুচিনি ৪-৫ টুকরো, সেমাই ৪ টেবিল-চামচ, সুজি ৩ টেবিল-চামচ, কাঁচা পেঁপে কুচি করা ১ কাপ, জাফরান সামান্য, সবুজ রং সামান্য।
প্রণালি: কড়াইয়ে ২ টেবিল-চামচ ঘি দিয়ে পেঁপে একটু ভেজে নিতে হবে। ভাজা হলে তাতে দুধ, চিনি, সবুজ রং, এলাচ গুঁড়ো, দারচিনি, বাদাম কুচি দিয়ে নাড়তে হবে। মিশ্রণটি ঘন হলে নামিয়ে নিতে হবে।
কড়াইয়ে ২ চা-চামচ ঘি দিয়ে সুজি নাড়তে হবে। জাফরান-মিশ্রিত দুধ, চিনি, এলাচ গুঁড়ো দিয়ে অনবরত নাড়তে হবে। কিশমিশ দিয়ে নামিয়ে প্লেটে ঘি লাগিয়ে তাতে হালুয়া ঢেলে সমান করে দিতে হবে।
সেমাই ঘি দিয়ে ভেজে তাতে দুধ, চিনি, এলাচ গুঁড়ো, দারচিনি, বাদাম কুচি দিয়ে নাড়তে হবে। সেমাই হয়ে এলে সুজির স্তরের ওপর সেমাইয়ের স্তর দিয়ে আবার সমান করে দিতে হবে। সবশেষে পেঁপের স্তর দিয়ে সমান করে সাজিয়ে রাখতে হবে ঠান্ডা জায়গায়। পছন্দমতো কেটে পরিবেশন করতে হবে।
নারকেলের মালাই বরফি
উপকরণ: নারকেল বাটা ২ কাপ, সরসহ ঘন দুধ ১ কাপ, সুজি ২ টেবিল-চামচ, ঘি আধা কাপ, চিনি ১ কাপ, এলাচ গুঁড়ো ২টি, বাদাম কুচি ১ চা চামচ, কিশমিশ ১ চা চামচ।
প্রণালি: কড়াইয়ে ঘি দিয়ে সুজি ভেজে নিতে হবে। তারপর নারকেল বাটা দিয়ে আবার কিছুক্ষণ ভাজতে হবে। ভাজা হলে দুধ, চিনি, বাদাম কুচি, কিশমিশ দিয়ে অনবরত নাড়তে হবে। হালুয়া ঘন আঠালো হলে এলাচ গুঁড়ো দিয়ে নামিয়ে প্লেটে ঘি দিয়ে ইচ্ছামতো আকারে কেটে ওপরে বাদাম, কিশমিশ দিয়ে পরিবেশন করা যায়।
ক্রিম পুডিং
উপকরণ: ঘন দুধ ২ কাপ, চিনি ১ কাপ, মুরগির ডিম ৪টি, এলাচ গুঁড়ো ২টি, ক্রিম ২ টেবিল-চামচ।
প্রণালি: ১ লিটার দুধ জ্বাল দিয়ে ঘন করে অর্ধেক করে নিতে হবে। ডিমের সঙ্গে চিনি মিশিয়ে দুধ, ডিম, চিনি, এলাচ গুঁড়ো ও ক্রিম ভালো করে ব্লেন্ড করে নিতে হবে। চিনি দিয়ে ক্যারামেল করা পাত্রে মিশ্রণটি ঢেলে পাত্রের মুখ ঢাকনা দিয়ে ঢেকে ভাপে সেদ্ধ অথবা প্রেসার কুকারে পানি দিয়ে ১৫-২০ মিনিট ভাপে রাখতে হবে। পুডিং নিজে থেকে ঠান্ডা হতে দিতে হবে। ছুরি দিয়ে ছাঁচের চারপাশে ঘুরিয়ে কেটে নিতে হবে। প্লেট ছাঁচের মুখে চেপে ধরে উল্টে দিতে হবে। ফ্রিজে রেখে ঠান্ডা হলে পরিবেশন করা যায় মজাদার ক্রিম পুডিং।
- Sent using Google Toolbar"
নানা স্বাদের হালুয়া
নানা স্বাদের হালুয়া: "শবে বরাতের রাতে হালুয়া তো খাওয়া হবেই। দেখে নিন সিতারা ফিরদৌসের দেওয়া নানা স্বাদের হালুয়ার রন্ধনপ্রণালি।
ছোলার ডালের ক্ষীরশাপাতি
উপকরণ: ছোলার ডাল ২ কাপ, চিনি ৪ কাপ, দুধের ক্ষীরশা ১ কাপ, তরল দুধ ১ লিটার, ঘি ১ কাপ, এলাচ গুঁড়ো আধা চা-চামচ, দারচিনি ৪ টুকরা, পেস্তাবাদাম কুচি সিকি কাপ, কাজুবাদাম বাটা ২ টেবিল-চামচ। আমন্ড বাদাম বাটা ২ টেবিল-চামচ, ডিম ২টি, গোলাপ এসেন্স সামান্য।
প্রণালি: ডাল ধুয়ে তাতে দুধ দিয়ে সেদ্ধ করে শুকিয়ে গেলে বাটতে হবে এবং চিনি ও ডিম দিয়ে মাখাতে হবে। চুলায় আধা কাপ ঘি গরম করে ডাল বাটা দিয়ে নাড়তে হবে। এরপর এলাচ গুঁড়ো ও গোলাপ এসেন্স দিতে হবে। হালুয়া জমাট বেঁধে এলে ক্ষীরশা, কাজুবাদাম বাটা, আমন্ড বাদাম বাটা দিয়ে কিছুক্ষণ নেড়ে ঘি মাখানো ডিশে ঢেলে ওপরে পেস্তাবাদাম কুচি ছিটিয়ে ইচ্ছেমতো কেটে পরিবেশন।
গাজরের দরবারি হালুয়া
উপকরণ: গাজর কোরানো ২ কাপ, দুধ ৩ লিটার, ঘি ৪ টেবিল-চামচ, মালাই ১ কাপ, লাচ্ছা সেমাই ১ কাপ, চিনি ৪ কাপ, এলাচ গুঁড়ো আধা চা-চামচ, জাফরান আধা চা-চামচ, গোলাপ এসেন্স সামান্য, কিশমিশ ও পেস্তাবাদাম কুচি পরিমাণমতো।
প্রণালি: গোলাপ এসেন্স ও জাফরান ২ টেবিল-চামচ দুধে ভিজিয়ে রাখতে হবে। গাজর ১ লিটার দুধে জ্বাল দিয়ে সেদ্ধ করে শুকিয়ে নিয়ে ঘি দিয়ে ভেজে রাখতে হবে। ২ লিটার দুধ জ্বাল দিয়ে ঘন করে ১ লিটার করে চিনি দিতে হবে এবং ফুটে উঠলে ঘিয়ে ভাজা সেদ্ধ গাজর, লাচ্ছা সেমাই ও এলাচ গুঁড়ো দিয়ে নাড়তে হবে। ঘন হয়ে এলে দুধে ভেজানো জাফরান, কিশমিশ, পেস্তাবাদাম কুচি ও মালাই দিয়ে চুলা থেকে নামিয়ে পরিবেশন পাত্রে ঢেলে ওপরে পেস্তাবাদাম, কিশমিশ ছিটিয়ে পরিবেশন করতে হবে।
সুজির মণ্ডা
উপকরণ: সুজি আধা কাপ, ছানা আধা কাপ, মাওয়া ২ কাপ, ঘি আধা কাপ, চিনি ২ কাপ, এলাচ গুঁড়ো আধা চা-চামচ, গোলাপ এসেন্স সামান্য, পেস্তাবাদাম কুচি ২ টেবিল-চামচ, খেজুর বাটা ২ টেবিল-চামচ।
প্রণালি: ২ টেবিল-চামচ ঘি দিয়ে সুজি বাদামি করে ভেজে নিতে হবে। ছানা হাত দিয়ে মথে সুজির সঙ্গে মাখিয়ে ২ টেবিল-চামচ ঘি দিয়ে জ্বাল দিতে হবে ও চিনি দিতে হবে। চিনি গলে গেলে এলাচ গুঁড়ো, গোলাপ এসেন্স ও খেজুর বাটা দিয়ে কিছুক্ষণ নেড়ে মাওয়া ও বাকি ঘি দিয়ে অল্প কিছুক্ষণ নাড়তে হবে।
ডিশে ঘি মাখিয়ে মণ্ডা ঢেলে পেস্তাবাদাম কুচি ছিটিয়ে পছন্দমতো কেটে নিতে হবে।
বাদামের হালুয়া
উপকরণ: ভাজা চিনাবাদাম বাটা আধা কাপ, মাওয়া ২ কাপ, কাজুবাদাম বাটা সিকি কাপ, ঘি ৪ টেবিল-চামচ, জায়ফল গুঁড়ো সিকি চা-চামচ, এলাচ গুঁড়ো আধা চা-চামচ, কাজুবাদাম কুচি আধা কাপ, কিশমিশ ২ টেবিল-চামচ।
প্রণালি: ঘি গরম করে সব বাদাম বাটা, জায়ফল গুঁড়ো, এলাচ গুঁড়ো দিয়ে কিছুক্ষণ ভুনে চিনি দিয়ে নাড়তে হবে এবং অর্ধেকটা মাওয়া গুঁড়ো দিতে হবে। হালুয়া কড়াইয়ের গা ছেড়ে এলে কিশমিশ, কাজুবাদাম কুচি দিয়ে চুলা থেকে নামিয়ে বাকি মাওয়া মিশিয়ে ঘি মাখানো ডিশে ঢেলে ঠান্ডা হলে পছন্দমতো কেটে প
ছোলার ডালের ক্ষীরশাপাতি
উপকরণ: ছোলার ডাল ২ কাপ, চিনি ৪ কাপ, দুধের ক্ষীরশা ১ কাপ, তরল দুধ ১ লিটার, ঘি ১ কাপ, এলাচ গুঁড়ো আধা চা-চামচ, দারচিনি ৪ টুকরা, পেস্তাবাদাম কুচি সিকি কাপ, কাজুবাদাম বাটা ২ টেবিল-চামচ। আমন্ড বাদাম বাটা ২ টেবিল-চামচ, ডিম ২টি, গোলাপ এসেন্স সামান্য।
প্রণালি: ডাল ধুয়ে তাতে দুধ দিয়ে সেদ্ধ করে শুকিয়ে গেলে বাটতে হবে এবং চিনি ও ডিম দিয়ে মাখাতে হবে। চুলায় আধা কাপ ঘি গরম করে ডাল বাটা দিয়ে নাড়তে হবে। এরপর এলাচ গুঁড়ো ও গোলাপ এসেন্স দিতে হবে। হালুয়া জমাট বেঁধে এলে ক্ষীরশা, কাজুবাদাম বাটা, আমন্ড বাদাম বাটা দিয়ে কিছুক্ষণ নেড়ে ঘি মাখানো ডিশে ঢেলে ওপরে পেস্তাবাদাম কুচি ছিটিয়ে ইচ্ছেমতো কেটে পরিবেশন।
গাজরের দরবারি হালুয়া
উপকরণ: গাজর কোরানো ২ কাপ, দুধ ৩ লিটার, ঘি ৪ টেবিল-চামচ, মালাই ১ কাপ, লাচ্ছা সেমাই ১ কাপ, চিনি ৪ কাপ, এলাচ গুঁড়ো আধা চা-চামচ, জাফরান আধা চা-চামচ, গোলাপ এসেন্স সামান্য, কিশমিশ ও পেস্তাবাদাম কুচি পরিমাণমতো।
প্রণালি: গোলাপ এসেন্স ও জাফরান ২ টেবিল-চামচ দুধে ভিজিয়ে রাখতে হবে। গাজর ১ লিটার দুধে জ্বাল দিয়ে সেদ্ধ করে শুকিয়ে নিয়ে ঘি দিয়ে ভেজে রাখতে হবে। ২ লিটার দুধ জ্বাল দিয়ে ঘন করে ১ লিটার করে চিনি দিতে হবে এবং ফুটে উঠলে ঘিয়ে ভাজা সেদ্ধ গাজর, লাচ্ছা সেমাই ও এলাচ গুঁড়ো দিয়ে নাড়তে হবে। ঘন হয়ে এলে দুধে ভেজানো জাফরান, কিশমিশ, পেস্তাবাদাম কুচি ও মালাই দিয়ে চুলা থেকে নামিয়ে পরিবেশন পাত্রে ঢেলে ওপরে পেস্তাবাদাম, কিশমিশ ছিটিয়ে পরিবেশন করতে হবে।
সুজির মণ্ডা
উপকরণ: সুজি আধা কাপ, ছানা আধা কাপ, মাওয়া ২ কাপ, ঘি আধা কাপ, চিনি ২ কাপ, এলাচ গুঁড়ো আধা চা-চামচ, গোলাপ এসেন্স সামান্য, পেস্তাবাদাম কুচি ২ টেবিল-চামচ, খেজুর বাটা ২ টেবিল-চামচ।
প্রণালি: ২ টেবিল-চামচ ঘি দিয়ে সুজি বাদামি করে ভেজে নিতে হবে। ছানা হাত দিয়ে মথে সুজির সঙ্গে মাখিয়ে ২ টেবিল-চামচ ঘি দিয়ে জ্বাল দিতে হবে ও চিনি দিতে হবে। চিনি গলে গেলে এলাচ গুঁড়ো, গোলাপ এসেন্স ও খেজুর বাটা দিয়ে কিছুক্ষণ নেড়ে মাওয়া ও বাকি ঘি দিয়ে অল্প কিছুক্ষণ নাড়তে হবে।
ডিশে ঘি মাখিয়ে মণ্ডা ঢেলে পেস্তাবাদাম কুচি ছিটিয়ে পছন্দমতো কেটে নিতে হবে।
বাদামের হালুয়া
উপকরণ: ভাজা চিনাবাদাম বাটা আধা কাপ, মাওয়া ২ কাপ, কাজুবাদাম বাটা সিকি কাপ, ঘি ৪ টেবিল-চামচ, জায়ফল গুঁড়ো সিকি চা-চামচ, এলাচ গুঁড়ো আধা চা-চামচ, কাজুবাদাম কুচি আধা কাপ, কিশমিশ ২ টেবিল-চামচ।
প্রণালি: ঘি গরম করে সব বাদাম বাটা, জায়ফল গুঁড়ো, এলাচ গুঁড়ো দিয়ে কিছুক্ষণ ভুনে চিনি দিয়ে নাড়তে হবে এবং অর্ধেকটা মাওয়া গুঁড়ো দিতে হবে। হালুয়া কড়াইয়ের গা ছেড়ে এলে কিশমিশ, কাজুবাদাম কুচি দিয়ে চুলা থেকে নামিয়ে বাকি মাওয়া মিশিয়ে ঘি মাখানো ডিশে ঢেলে ঠান্ডা হলে পছন্দমতো কেটে প
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)